স্টাফ রিপোর্টার ॥ চাঁদপুর নদী বন্দর আধুনিকায়নের কাজ আগামী ২০২০ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক। তিনি আরো জানান, এটি হবে অত্যন্ত নান্দনিক একটি নৌ-বন্দর। ইতিমধ্যে এ কাজে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭ কোটি টাকা। প্রয়োজনে অর্থের পরিমান আরো বাড়ানো হবে। প্রকল্প কাজের পুরো অর্থ যোগান দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। নৌ-রুটে ঢাকা-নারায়নগঞ্জ ও বরিশাল নৌ-বন্দরের পাশাপাশি চাঁদপুর নদী বন্দরটি নানা কারনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় স্থানীয় সাংসদ ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অবশেষে মাদ্রাসা রোডস্থ অস্থায়ী টার্মিনালটি ঘিরে অত্যাধুনিক স্থায়ী নৌ-বন্দর হতে যাচ্ছে। এখানে যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুবিধা থাকবে। ইতিমধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের একটি সার্ভে টিম যৌথভাবে চাঁদপুর নৌ-বন্দরের প্রায় দু’ কিলোমিটার এলাকায় কয়েক দফা সার্ভে শেষে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সার্ভে রিপোর্টস জমা দেয়ার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সার্ভে রিপোর্ট পর্যলোচনা শেষে আধুনিক নৌ-বন্দরের নকশা তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছেন।

চলতি বছরের শেষদিকে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে আগামী বছরের শুরুতে নির্মান কাজ শুরু হবে। উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক আরো জানান, চাঁদপুর, নারায়নগঞ্জ, বরিশাল ও শ্বসান ঘাট নৌ-বন্দর আধুনিকায়নের বিষয়ে গত ২৬ আগস্ট ঢাকা সিরডাপ মিলনায়তনে সরকারের উচচ পর্যায়ের একটি যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি রাজেশ নেহাটজি, নৌ-মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ আব্দুস সামাদ ও বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান এম, মাহাবুব-উল-ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। ঐ সভায় বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সাথে এ বিষয়ে অত্যন্ত সৌহার্দ্য পূর্ণ আলোচনা হয় এবং চাঁদপুর সহ আরো ৩টি নৌ-বন্দরের নতুন নকশা প্রজেক্টরের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।
উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর চাঁদপুর নৌ-বন্দর আধুনিকায়ন কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি। এসময় স্থানীয় সাংসদ ডাঃ দীপু মনি সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।